Tuesday, September 9, 2014

বন্ধুর সুখ





বন্ধু আমার জানিস তুই বহমান রক্তকোষ
হৃপিণ্ডের আনন্দ বহর সু-নিঃশ্বাস;
বন্ধু আমার বাবা মা জানের সিন্ধু,
স্কুলকলেজ কর্ম সময়ের সহ-পাঠিবৃন্দ।
চলতে ফিরতে পূর্ণিমার জোছন্সা রাতে
শত বার স্মৃতিমুখর একলা জেগে রই;
কতবন্ধু হারিয়ে হলো দূর্বাঘাসের ফুল
খুঁজি ফিরি শ্রাবণ মেঘের কাছে সুর
টুপুরটাপুর বৃষ্টিভিজা আড্ডার ছুঁয়া কুল।
বন্ধু আমার রইল শুধু প্রেমডাঙ্গার বুক
হিংসাদন্ড রাগ অভিমান ভুলি জীবনক্ষণ
ক্লান্তিসুখের ধূলিবালি রাস্তার পাশে ব্যস্ত মুখ
ভুবনতরী গড়ি সবে শান্তির নিকুঞ্জ মন
বন্ধু আমার বিলিয়ে দেই স্বজনতরে সুখ।



লেখার তারিখঃ ০৬//১৪
<><><><><><><><><><><>

Monday, September 8, 2014

ডুমুরফুল



( ছবিটা নেট থেকে সংগ্রহ)

এক অভয়ারন্য ঝর্ণা ধারার দু’চোখ জুড়ে
একটু কি ফাল্গুনের হাসি দেখোনি ঐখানে-
গোলাপ জবা ফুটতো নিত্যই হতো সুগন্ধির খেলা।
ডেফলতলায় ডেফল ফলে হলুদ স্বাদে রাঙা।
রোজ দেখেছো কত ফুল ! একটু ও দেখনি ডুমুরফুল
কি ভাবে দেখবে বলো? হয় নি তো প্রণয়ের নিঃঘুম?
ডুমুরফুলের সৌন্দয্য সৌরভ শুধু একাকিত্বের নিলাম
পূর্ণিমার মধ্যপ্রহরে একাই অদৃশ্যর ডুমুর রইলাম।
সেটা ভালই জানো ডুমুরফুল দেখলে শুভাগের
কপাল নাকি খুলে- আঙ্গীনায় ছিল যে ফুটে
চাঁদের হাসি যেনো মুচকি মুচকি ঠোঁট রাঙীয়ে দোলে-
নিঠুর ব্যস্তবতার সমীক্ষে ভাবলে শুধু ডুমুরফুল;
মূল্য কত দিলে না যত এখানে ছিল যত্নে মুকুল।



লেখার তারিখঃ 08/09/2014
 <><><><><><><><><><>

নীল জনতার ঠোঁট





এই ইট পাথরের ছোট বড় ঘরবাড়ি
তার মাঝে ছন্নজীবন সংসারের যত ঝাড়ি-
ক্লান্তির ছায়া রঙ্গীন মায়া ভাবতেই ভাসে ভবন
এরি মাঝে চলছে দেখো রঙ্গ  জনতার কতো না রদন।
সাদা-লাল-সবুজ-হলুদ আর ভাই কালো
নীল জনতার কথা শুন-মত্ত  চেতনাতে আজ,
কি হাওয়া বয়ছে-বালিচরে বানাবে তাজ
কেউ বা চায় হাইয়ান আবার কেউ চায় নবান্ন
হাইয়ান নাকি হলে অ্থৈই জলে ভাসাবে তরী?
নবান্ন হাওয়া বয়লে-সোনালী শস্য কাটে আনি বাড়ি
স্বপ্ন আশা শুধু ছুটছে নীল জনতারা হাবছে হাড়
উপায় বা কোথায়,খরা অদৃশ্য দিনের মাঝে ভিন্ন  উত্তাপ;
জনতা বলবে তাতে কি বা হবে খলতাপ-
হাইয়ান দেখে না চাই শুধু নতুন নবান্ন উৎসব
নীল জনতার পাঁজরটা ভাজে ভাজে উল্টো রঙ
শ্লোগানে মুখরিত আনন্দেস্নিগ্ধ হাসি নীল জনতার ঠোঁট
আঁধার নিশিশেষে স্বর্ণালী প্রভাতে ভরুক ফুলল।



লেখার তারিখঃ ১৯/১১/১৩
<><><><><><><><>

Saturday, September 6, 2014

কবিতাঃ সাদা ফানুস




ছবিটা নেটথেকে সংগ্রহ





ঐখানে তে একের মাঝে অনেক ছিল ছবি;
ছবিটা দেখবো বলে দেখা হলো না আজি 
দেখলাম যখন বলো-কেন শ্রাবণ হলো?
এখানো শুধু বর্ষা না কভু ফুরালো;

ফ্রেমে বাঁধা ছবির ঘাটে রইল ছবি,
দেখো না এ ধূসর মৃত্তিকায় রঙিন;
রঙিন (হয়ে জ্বল না) হলো না বসন্ত প্রণয়ের প্রদীপ্ত
রইল শুধু সাদা ফানুসের শরত হেমন্ত ।



লেখার তারিখঃ 06/09/2014 ইং
<><><><><><><><><><><><>
 

Sunday, August 31, 2014

কবিতাঃ শরতের রাত




এক বর্ষা রেখেগেলো নোনা ঝর্ণার সন্ধি;
আঁধারের কালমেঘটা আদরে আদরে ঢাকি,

কদম কৃষ্ণচূড়া ঝরে ঝরে গেলো এখন
শুধু সবুজ ডানায় সাদা কাশফুল দোলায়-
এবুঝি শরত এলো!নীল সাদা সবুজের ছোঁয়ায়।


উঁচু নিচু নদের বুকে বাজে কলকল সুর
রাখাল ছেলে কাশবনে গান গায় সুমধুর
কে নাচিবে কার গাঁয়ে?শরত খেলার ছল;

হারিয়ে গেলো বুনোহাঁস কোন স্রোতের সাথ
স্মৃতিরা আছে পরে শরত রাতের চাঁদ;
পূণিমার সাদা মেঘে ঝিলিকে উঠে কাশফুল
অনুভূতির দৃশ্যপট যায় নারে ক্ষয়ে কষ্টকুল।

লেখার তারিখঃ ২৩/০৮/১৪

কবিতাঃ বিদ্রোহীফুল


আমি বিদ্রোহী জঙ্গ করি মনোশূল;
এসো মোরা জাগ্রত হই
টুটাবো তিমির রাত এই,
তুমি আমি বিদ্রোহী ফুল-
নজরুল সে তো! গ্রীষ্ম
শরত হেমন্ত আর বসন্তের
বিদ্রোহী কুল।


কুল ভাঙ্গে কুল গড়ে
বিদ্রোহী শুধু উষার দ্বারে
মসনদে জলজলায়া জ্বলে;
ঝরা বর্ষার শেষে ফুটেরে
কত শত কাশফুল-কাশফুল।

রক্তজবা কৃষ্ণচূড়া হাসনাহেনা নয় তো
তুমি শুধু হৃদয় রাঙানো
কমলগন্ধ বিদ্রোহী ফুল,
হাজার বছর ধরে ফুটবে তুমি
মুখরিত রবে এই কুল।



এক ধরনের গান করা যাবে

লেখার তারিখঃ ২৭/০৮/১৪
<><><><><><><><><><>