Saturday, September 6, 2014

কবিতাঃ সাদা ফানুস




ছবিটা নেটথেকে সংগ্রহ





ঐখানে তে একের মাঝে অনেক ছিল ছবি;
ছবিটা দেখবো বলে দেখা হলো না আজি 
দেখলাম যখন বলো-কেন শ্রাবণ হলো?
এখানো শুধু বর্ষা না কভু ফুরালো;

ফ্রেমে বাঁধা ছবির ঘাটে রইল ছবি,
দেখো না এ ধূসর মৃত্তিকায় রঙিন;
রঙিন (হয়ে জ্বল না) হলো না বসন্ত প্রণয়ের প্রদীপ্ত
রইল শুধু সাদা ফানুসের শরত হেমন্ত ।



লেখার তারিখঃ 06/09/2014 ইং
<><><><><><><><><><><><>
 

Sunday, August 31, 2014

কবিতাঃ শরতের রাত




এক বর্ষা রেখেগেলো নোনা ঝর্ণার সন্ধি;
আঁধারের কালমেঘটা আদরে আদরে ঢাকি,

কদম কৃষ্ণচূড়া ঝরে ঝরে গেলো এখন
শুধু সবুজ ডানায় সাদা কাশফুল দোলায়-
এবুঝি শরত এলো!নীল সাদা সবুজের ছোঁয়ায়।


উঁচু নিচু নদের বুকে বাজে কলকল সুর
রাখাল ছেলে কাশবনে গান গায় সুমধুর
কে নাচিবে কার গাঁয়ে?শরত খেলার ছল;

হারিয়ে গেলো বুনোহাঁস কোন স্রোতের সাথ
স্মৃতিরা আছে পরে শরত রাতের চাঁদ;
পূণিমার সাদা মেঘে ঝিলিকে উঠে কাশফুল
অনুভূতির দৃশ্যপট যায় নারে ক্ষয়ে কষ্টকুল।

লেখার তারিখঃ ২৩/০৮/১৪

কবিতাঃ বিদ্রোহীফুল


আমি বিদ্রোহী জঙ্গ করি মনোশূল;
এসো মোরা জাগ্রত হই
টুটাবো তিমির রাত এই,
তুমি আমি বিদ্রোহী ফুল-
নজরুল সে তো! গ্রীষ্ম
শরত হেমন্ত আর বসন্তের
বিদ্রোহী কুল।


কুল ভাঙ্গে কুল গড়ে
বিদ্রোহী শুধু উষার দ্বারে
মসনদে জলজলায়া জ্বলে;
ঝরা বর্ষার শেষে ফুটেরে
কত শত কাশফুল-কাশফুল।

রক্তজবা কৃষ্ণচূড়া হাসনাহেনা নয় তো
তুমি শুধু হৃদয় রাঙানো
কমলগন্ধ বিদ্রোহী ফুল,
হাজার বছর ধরে ফুটবে তুমি
মুখরিত রবে এই কুল।



এক ধরনের গান করা যাবে

লেখার তারিখঃ ২৭/০৮/১৪
<><><><><><><><><><>

Saturday, July 13, 2013

তিন কবিতার কাব্য



শীতলবালির মাঝে ধুধু নিঃঅন্তর
================================

পদ্মার ‘টি’ বাঁধ নয়-নয় কোরতায়ার
নারুলী ব্রিজ-ঐ যমুনার ঝিকমিক বালুচর
কত দেখেছি- খেলেছি বুক বরাবর-
শীতলবালির মাঝে যেন ধুধু (অন্তরহীন)নিঃঅন্তর-
এক দীর্ঘনিঃশ্বাস- মাঝে মধ্যে বয়ে যেত
শনশান আওয়াজে ভাঙ্গন তুলে কি ভয়-
কৃষ্ণচূড়া ফুটা সকালে- পূর্বালী নীল স্রোত    
বালুচর তোরছিল ধুধু(অন্তরহীন)নিঃঅন্তর।
কিনারায় ছিল ঘোন সবুজের কাঁশবন
সাদা সাদা ফুলে দিয়ে যেত শিহরণ-
হরিণী আঁখির মত- দৃষ্টিপাত করেনি
উড়ে যায় গাংচিল-হৃদয় পাঁজরে বসেছিল
চুমুকে স্পর্শ ছোঁয়া-কমল ঠোঁটের নিশান-
তাতেই যেন বড় বড় ঢেউ তুলা গর্জন 
ক্লান্তি দেহে গাংচিল খুঁজেছে ঘামহীন অন্তর।
তারা খেয়ে-কেন বার বার ফিরে আসা
বুঝেনি যমুনা- খরা রোদ্রে পুড়ে যাওয়া
লম্বা ডানায় উড়াল দিবার নাই সান্ত্বনা
অভয় জলে ডুব দিয়ে যাই বার বার
এটাই যেন তার-একটু সুখ খুঁজে পাওয়া
তাতেই বুঝি বদলাও মৌসুমী মৃদু হাওয়া-
আজো দেখি খাঁখাঁ করছে তোর নিঃঅন্তর। 




যমুনার উত্তাল স্রোত
============
হেলে দুলে হাঁটছি দু’পায়ে
দেহের মাঝে কাঁপন নিয়ে-
বহুদূর ঐ সু-দূর- আর কত
নিরুপায় স্পর্শকাতর হয়ে
টলটল জলে মৃদু ঢেউ তুলে
ঐ যমুনার অথই তীরে।
সহমর্মীতা সহনশীলতার পাখা
মেলে- বাংলার আকাশে বাতাসে
অবিরত বয়ে যাবো ভেসে যাবো
এ ধূসর অবনী- অনন্ততকাল।
যতোই যমুনার উত্তাল ঢেউ উঠুক-
আর হিংসার বলিমাখা স্বার্থের
পূজারিতে ধবংসের ঢিল ছঁড়ুক।
দেখ! ঠিকি একদিন বুঝবে তারা-
থাকুক না যতো অবুঝ ভুলা।
দেখবে যখন দক্ষিণার দ্বার খুঁলা।
আঁধার ভোরে নামবে তখন-
স্বচ্ছ লোণটা মাখা উত্তাল ঢেউ,
ভাসছি দুলে দুলে যমুনার স্রোতে।


   
নিপুণকারু কাজ
==============
সূর্যের কিরণ দেখ সবুজ মেঘের দিন
চাঁদ ভরা রাতে দেখ নীল আর নীল-
এ আইল পাথার জুড়ে দেখ বিচিত্র
অরণ্য ছায়া ঘেরা মায়াবী এক ধরণী।
গ্রাম বল- শহর বল- বল অভয়
জলের বালুচর- সবখানেতে আছে-খুঁজে
নাহি দেখো-নাই বা দিলে প্রস্ফুটন-
নাই বা চিনলে- এ বক্ষ ভরা ধন।
তুমি দেখেছ নিশ্চিয়- জানো কি? ঐ
শামুক ঝিনুকের ভিতর কি? ক্লান্তহীন
ঘামহীন তাদের কি শ্রম-যে শ্রমে হীরা মুক্ত
বিলিন করে- অপরূপ সৌন্দর্য। তুমি তো
হও মুগ্ধ-এ যে নিপুণকারু কাজে এক মেধা
সম্পূর্ণ- চিন্তা নাহি কর।তোমার মাঝে আছে
দেখ- শামুক ঝিনুক চেয়েও- সোনার ধন-
নিঘামে ঝরাও- দেখবে উজ্জ্বল শ্যামল-জয়
হোক- ঘৃষ্টচন্দন ঝরুক- হোক তার পদচরণ।  
====================================
=============================
=====================
=================
============
========
====





    

Wednesday, May 15, 2013

শ্রেষ্ঠমানবী হলো মা




কত না ভাবনার-ক্ষীণ আঁধার শেষে
একটু নিদ্রা যাওয়ার আগে- ভাবু
মনের বাতায়নে- চেয়ে ছিলাম শুধু
চেয়ে ছিলাম-রাসুলের মায়া ভরা
মুখের ছায়া-দেখবো বলে স্বপ্ন ঘোরে-
কেটে গেছে কত ক্ষীপ্ত ভরা প্রহর-
তবুও ভাবনা জুড়ে আশাপ্রদ থাকে।

হঠাত দেখি এক প্রলয় নিশিতে-সমস্ত
দেহটা কাঁপছে আর কাঁপছে- কে যেন
বলে দিচ্ছে- এতো দিন যাহা চেয়েছিলে-
ঐ দেখ- দেখ তারি ছায়া মুখ।বিস্মিত
হয়ে দেখছি-সে যে মায়েরি মমতা ভরা-
মায়া দিয়ে ঘিরা আছে মায়ে মুখ।তাহার

মাঝে লুকিয়ে আছে-রাসুলের পাওয়া সুখ-
বুঝতে করো না একটু ভুল-আল্লাহ্‌ রাসুলের
পরে হলো মা জননী শ্রেষ্ঠ মানবী-ধন্য হও-
ধন্য হইলাম-শ্রেষ্ঠমানবী আমার তোমার মা।
  

লেখার তারিখঃ ১২/০৫/১৩